[Close]

সরকারি চাকরি না পাওয়ার হতাশায় ঢাবিছাত্রের আত্মহত্যা?


দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ করেছেন। এরপর দীর্ঘদিন সরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা করেন, ফল মেলেনি। ২০১৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমে সান্ধ্যকালীন মাস্টার্স কোর্সে ভর্তি হন। চলতে থাকে বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ, কিন্তু ফল মেলে না। পরীক্ষা দিতে দিতে ‘ক্লান্ত’ হয়ে গেলেও কোনো ‘সুখবর’ না আসায় হতাশা চেপে বসে তার বুকের ওপর। এই হতাশার পাথর সরাতে পারলেন না বুকের ওপর থেকে। বেছে নিলেন ‘আত্মহনন’র পথ।

হতভাগ্যের নাম তানভীর রহমান। শনিবার (৩১ মার্চ) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ ভবনের নিচ থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্যে, ভবনের নবম তলার বারান্দা থেকে নিচে লাফ দিয়ে আত্মহত্যা করেন তানভীর। তার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সদর উপজেলায়, বাবা মুক্তিযোদ্ধা ফসিউর রহমান। ঢাকায় থাকতেন খালা মেহেরুন্নেসার বাসায়। সবশেষ চাকরি করতেন উত্তরায় একটি বায়িং হাউজে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম বাংলানিউজকে বলেন, ‘আমরা সিসিটিভির ফুটেজ দেখেছি, সে তার ব্যাগ ও ফোন রেখে নিচে লাফ দেয়।’

একমাত্র পুত্রসন্তানের এমন মৃত্যুতে পাগলপ্রায় ফসিউর রহমান। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বাংলানিউজকে তিনি বলেন, ‘হতাশা থেকে এমন কাজ করবে ছেলে, জীবনেও কল্পনা করতে পারিনি। মারা যাওয়ার দেড় মাস আগে একবার তানভীর বাড়িতে এসেছিল।

কয়েকদিন বাড়িতে থেকে যাওয়ার সময় তার মায়ের পায়ে ধরে সালাম করেছিল। বলেছিল মা তোমাকে সালাম করে যাই। আর কোনোদিন দেখা না হতে পারে।’তানভীর রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাস‘তানভীর প্রায় সময়ই তার মায়ের কাছে বলতো, আমার বাবা কিসের মুক্তিযোদ্ধা? আমি বিভিন্ন সরকারি চাকরি দেওয়ার পরও আমার চাকরি হয় না। এ থেকে তার মনে একটা ক্ষোভ সৃষ্টি হতে থাকে। কথাগুলো তার মায়ের কাছ থেকে শোনার পর আমি তাকে ঢাকার উত্তরায় একটি বায়িং হাউজে চাকরির ব্যবস্থা করে দেই। তিন দিন কাজ করার পর হঠাৎ তার মাকে ফোন করে বলে, আমাকে তোমরা মাফ করে দিও। এরপর শনিবার রাতে তার এ মৃত্যুর খবর আসে।’

তানভীরের চাচা শেখ মুহাম্মদ মুহসীন বলেন, ‘সে দীর্ঘদিন ধরে সরকারি চাকরির জন্য চেষ্টা


Post Views:
19

<>

Bangla24hour.com © 2017