[Close]

য়েদের চুলে পুরুষদের হাত দিতে নেই কেন ? জেনে নিন…


গ্রামাঞ্চলে আদিকাল থেকে এই প্রথা চালু আছে যে, মেয়েদের চুলে পুরুষদের হাত দিতে নেই । এমনকি তারা আত্মীয় হলেও তা করা উচিৎ নয়! কিন্তু কেন? এবার সেই প্রশ্নের একটা সদুত্তর পেলেন বিজ্ঞানীরা।







সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা এক গবেষণায় দেখান যে, মেয়দের চুলের গোড়ায় সেক্স গ্রন্থি থাকে। যার ফলে চুলে হাত দিলে বাঁ ধরলে তাদের শরীরে কামনা বাড়তে থাকে। যা মোটেই কাম্য নয়।







অার এই জন্যই হয়তো প্রাচীনকাল থেকেই এই প্রথাটি এখনো সমাদৃত হয়ে আসছে।সুতরাং এই প্রথার প্রয়োজনীয়তা নিশ্চয়ই সর্বকালের সমানভাবে গ্রহণীয়। আর তাই এখন থেকে মেয়েদের চুলে হাত দেওয়ার আগে একটু ভেবে নিবেন নিশ্চয়ই!

মুসলিম নারীর বাড়ীর বাহিরে বের হওয়ার জন্য শরিয়ত সম্মত পোশাকের শর্তসমূহ:







১. ঢিলাঢালা সমস- শরীর ঢাকে এমন হওয়া। সুতরাং যে পোশাকে নারীর চুল, ঘাড়, বক্ষ, পেট-পিঠ যেমন: শাড়ি ও ছোট ব্লাউজে এবং হাঁটু ও ঊরু যেমন: স্ক্যার্ট, ঘাগরা, ফ্রক্‌ ইত্যাদিতে প্রকাশ পায় তা মুসলিম মহিলার জন্য বেগানা পুরুষের সামনে পরিধান করা হারাম। আর মাহরাম পুরুষদের (যাদের সাথে স’ায়ীভাবে বিবাহ হারাম) সামনে শরীরের ততটুকু অংশ প্রকাশ করা যাবে যতটুকু খুলে রাখা প্রচলিত প্রথামতে চলে যেমন: মাথা, ঘাড়, মুখমণ্ডল, হাত-পায়ের কিছু অংশ।







২. সৌন্দর্যময় ও দৃষ্টি-আকর্ষণীয় না হওয়া। অতএব, এমব্রয়ডারি করা চকচকে রঙ্গিন বোরকা পরে বাড়ীর বাইরে যাওয়া হারাম।

৩. শরীর ঢাকে এমন কাপড়ের পোশাক হওয়া। ফিন্‌ফিনে পাতলা যা শরীরের ভিতরের চামড়ার রঙ দেখা যায় এমন পোশাাক স্বামী ছাড়া অন্যের সামনে পরিধান করা হারাম।







৪. টাইট্‌ফিট তথা আঁট-সাাঁট অতি সংকীর্ণ না হওয়া যা দ্বারা শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সাইজ প্রকাশ পায়। তাই মুসলিম নারী চুশ্‌ত ও ফ্যাশনের পোশাক স্বামী ছাড়া অন্যের সামনে পরিধান করবে না; যাতে তার সুডৌল স-নযুগল, সুউচ্চ নিতম্ব, সরু কোমর ইত্যাদির আকার প্রকাশ পায়। বেহায়াপনা পোশাক পরে নিজেদেরকে প্রদর্শন করে বেড়ানো সম্পূর্ণ হারাম। নবী [ৎ] বলেন: “দু’প্রকার মানুষ যা এখনও দেখিনি। (এক) (অত্যাচারীর দল) ঐ জাতি যাদের সঙ্গে গরুর লেজের মত চাবুক থাকবে তা দ্বারা মানুষকে প্রহার করবে। (দুই) সেই নারীর দল যারা বস্ত্র পরিহিতা উলঙ্গ (এমন পোশাক যা পরা না পরা সমান), পুরুষদের আকৃষ্ট করবে এবং নিজেরাও তাদের প্রতি আকৃষ্ট হবে। যাদের মস-ক (খোঁপা বাঁধার কারণে) উঁটের ঢলে যাওয়া কুঁজের মত হবে। তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, তার গন্ধও পাবে না। অথচ জান্নাতের সুগন্ধ এত এত দূরবর্তী স’ান থেকেও পাওয়া যাবে। [মুসলিম]







৫. পুরুষদের সদৃশ পোশাক না হওয়া। সুতরাং প্যান্ট, শার্ট ইত্যাদি মহিলাদের জন্য পরিধান করা ঠিক নয়। কারণ নবী [ৎ] “পুরুষদের বেশধারিণী নারীদের প্রতি অভিশাপ করেছেন।” [বুখারী]







৬. অমুসলিম মহিলাদের অনুকরণে তাদের সদৃশ পোশাক না হওয়া। রাসূলুল্লাহ [ৎ] বলেন:“যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করে, সে সেই জাতির দলভুক্ত।” [আবূ দাঊদ] মুসলিম নারীরা ঢিলে ম্যাক্সি বা শেলোয়ার-কামিস তার উপর রোরকা ও মাথায় চাদর বা উড়না ব্যবহার করবে যা দ্বারা মাথার কেশ ও বক্ষস’ল ইত্যাদি আচ্ছাদিত হয়।







৭. আতর বা সেন্ট লাগিয়ে সুবাসিত হয়ে যেন না বের হয়। কারণ যে নারী সুগন্ধি মেখে বাইরে যায় তাকে নবী [ৎ] ব্যভিচারিণী নারী বলে আখ্যায়িত করেছেন। [আহমাদ]







৮. জাঁকজমক ও মানুষের মধ্যে খ্যাতি লাভের উদ্দেশ্যে পোশাক না হওয়া।

নোট: প্রকাশ থাকে যে, নারীদেহে যৌবনের লক্ষণ দেখা মাত্রই বাড়ীর বাহিরের জন্য এই শর্তের পোশাক পরিধান করা ফরজ। স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কোন পর্দা নেই উভয়ে এক অপরের পোশাক। [সূরা আল-ইমরান: ২৮৭] উভয়ে উভয়ের সর্বাঙ্গ দেখতে পারে।







<>

Bangla24hour.com © 2017