[Close]

ঠিক কোন সময়ে মেয়েরা মিলনের জন্য পাগল হয়ে যায় , জানেন কি ? [ অপ্রাপ্তবয়স্করা পড়বেন না ]


মেয়েরা ঠিক রাত কয়টার পর- শয্যায় সঙ্গীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ার গতে বাঁধা সময় বলে কিছু হয় না। দিনভর যে কোনও সময় জাগতে পারে মিলনের ইচ্ছা।







কিন্তু সম্প্রতি এক সমীক্ষা বলছে, মহিলারা রাত ১১টা ২১ মিনিটের পর শয্যায় বেশি ঘনিষ্ঠ হতে পছন্দ করেন।

পালটা পুরুষেরা সকাল ৭টা ৫৪ মিনিটে, বলা ভালো অফিস যাওয়ার আগে ঘনিষ্ঠতা পছন্দ করেন।

সমীক্ষা আরও বলছে, মহিলারা সবথেকে বেশি উত্তেজিত থাকেন রাত এগারোটা থেকে মধ্যরাত দুটো পর্যন্ত। অন্যদিকে, পুরুষেরা এই অবস্থায় থাকেন ভোর পাঁচটা থেকে ন’টা পর্যন্ত।







ডেইলি মেলে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন বলছে, প্রাতঃরাশ সারার আগেই সঙ্গিনীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হতে বেশি পছন্দ করেন ছেলেরা।

অন্যদিকে, মেয়েদের প্যাশন রাতে বেশি প্রকাশ পায়। ব্রিটেনে প্রায় ২৩০০ জন মহিলা-পুরুষের উপর এক সমীক্ষা চালিয়ে এই সিদ্ধান্তে এসেছেন গবেষকরা।

আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী কি এমন বৈশিষ্ট্যের অধিকারী?

প্রায়ই মনে হয়ে যে, আপনার সঙ্গী কিংবা সঙ্গিনী কেবল নিজেতেই মুগ্ধ থাকেন? এটা ঠিক নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকা নয়। তবে নিজের প্রতি মুগ্ধতা তাদের সবচেয়ে বেশি। আর এ বিষয়টি সম্পর্কে বিরূপ প্রভাব ফেলে বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

কাজেই যদি সম্পর্কে জড়িয়ে থাকেন এবং আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনীর মাঝে আত্মমুগ্ধতা কাজ করে তবে আগেভাগেই এ সমস্যাকে বিদায় জানাতে হবে। এখানে সম্পর্ক বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, কীভাবে বুঝবেন আপনার পার্টনার এমন কিনা।







আপনার নিজের সম্পর্কে বাজে ধারণা দেবে

আত্মমুগ্ধ প্রেমিক বা প্রেমিকা প্রায়ই এমন সব কথা বলবে যার ফলে আপনার নিজের প্রতি নিজের মাঝেই বাজে ধারণার সৃষ্টি হতে থাকবে। ছোটখাটো বিষয় কিংবা বড় ইস্যু নিয়ে আপনাকে নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্য করবেন তিনি।

সবসময় নিজের সম্পর্কেই কথা বলেন

তারা যেহেতু নিজের প্রতি মুগ্ধ, কাজেই কেবল নিজের বিষয়গুলো নিয়েই কথা বলেন তিনি। সব মানুষের নজরের কেন্দ্রে থাকাই তাদের একমাত্রা লক্ষ্য। তারা সবসময় নিজের বুদ্ধিমত্তা, স্মার্টনেস আর সৌন্দর্যের জানান দিতে পছন্দ করেন।

তাদের সুখী হতে প্রশংসা দরকার

প্রশংসা পেতে কার না ভালো লাগে? কিন্তু আত্মমুগ্ধ মানুষরা কেবলমাত্র প্রশংসাকেই সবচেয়ে বেশি ভালোবাসেন।







অন্যদের প্রতি হীন আচরণ করেন

আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনীর মধ্যে এ প্রবণতা আছে কিনা খেয়াল করে দেখুন। এ ধরনের মানুষরা অন্যদের হেয় করার চেষ্টায় থাকেন। আর সেখানেই নিজেদের আদর্শরূপে উপস্থাপন করেন। ইগোকেন্দ্রিক আচরণ সবসময় বিরক্তিকর হয়ে ওঠে।

তাদের আচরণ ও কথাবার্তা অন্যদের কাছে অসহনীয় হয়ে ওঠে। অন্যের নেতিবাচক দিকগুলো তারা বার বার তুলে আনেন। কিন্তু নিজেদের একই বিষয় সম্পর্কে কোনো ধারণাই থাকে না। তারা খুব সহজেই অন্যের চেয়ে যেকোনো কাজে ভালো বলে অবলীলায় প্রচার করেন।

স্পর্শকাতর







এদের মানসিকতা দ্রুত প্রতিক্রিয়াশীল। তাদের আবেগ যখন নিজের চাহিদামতো রসদ পায় না, তখনই তারা বাজে আচরণ করেন। অনেক সময়ই তারা নিজের রাগ বা হিংসুটে মনোভাব মোটেও নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না।

সহানুভূতি থাকে না

এ কাজে তারা অনেক পিছিয়ে। আপনি খুব খারাপ সময় পার করতে থাকলেও তাদের মধ্যে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। তারা কেবল নিজেরটাই ভাবে। অন্য কারো খারাপ লাগা তাদের মধ্যে দুঃখবোধ সৃষ্টি করে না।







ছেলেদের বশে আনতে মেয়েরা- মেয়েরা মাঝে মাঝে নিরীহ গলায় বেশ মারাত্মক কিছু প্রশ্ন করে যার উত্তর দেয়া আর নিজের পায়ে কুড়োল মারা ছেলেদের জন্য সমান কথা।

কারণ এই প্রশ্নগুলো মেয়েরা ইচ্ছে করে ছেলেদের ফাঁদে ফেলে কথা শোনানোর জন্য করে। যদিও সব মেয়ে একই রকম নন এবং সবাই সব প্রশ্ন করেন এমনটিও নয়।

তারপরও নিচের এই ৯টি প্রশ্ন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কম বেশি সব মেয়েই তার ভালোবাসার মানুষটিকে করে এবং সত্যিকার অর্থেই তাদের ফাঁদে ফেলেন। কারণ এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়াও বিপদ না দেয়াও বিপদ।

তুমি কি আমাকে পছন্দ করো: যদিও মেয়েটি জানে যে ছেলেটি তাকে পছন্দ করে, তারপরও নিরীহ গলায় এই প্রশ্নটা তারা প্রায়ই করে। এখন যদি ছেলে বলে হ্যাঁ, তাহলে শুরু হবে নতুন প্রশ্ন। আর না হলে তো যোগাযোগই বন্ধ।







তুমি আমাকে কেনো পছন্দ করো: পছন্দ করে কি না তা জানার পর যে নতুন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় ছেলেকে, তা হচ্ছে ‘কেনো পছন্দ করো’।

যদি কোনো কিছু সুন্দর বলেন, তবে মেয়েটি বলবে, ‘শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যই দেখলে’, আর যদি বলেন তুমি অনেক ভালো, তাহলেও গাল ফুলিয়ে বলবে, ‘আমি কি সুন্দরী নই?’। সুতরাং ছেলে যাই বলবে, তাতেই তার বিপদ।

তুমি কি কিছু চিন্তা করেছ: যদি কোনো ব্যাপারে কথা বলার বা সিদ্ধান্ত নেয়ার থেকে থাকে বা ছেলে যদি কিছু চিন্তা করেও থাকে, তাও এই প্রশ্নের উত্তর ছেলের জন্য ডেকে আনবে বিপদ।







কেনো জানেন? ছেলে যদি বলে হ্যাঁ করেছি, তখন তার বিপরীতে তাকে শুনতে হবে ‘এতো চিন্তার কি আছে’। আর যদি বলে না, করিনি তাহলে ছেলেকে শুনতে হবে ‘আমার ব্যাপারে তুমি কোনো চিন্তাই করো না’।

তুমি কি আমার বান্ধবীদের পছন্দ করো: খুব ভয়ানক একটি প্রশ্ন। যদি ছেলে বলে হ্যাঁ করি, তাহলে গাল ফুলিয়ে মেয়ে বলবে ‘ও! তাই, আমাকে এখন পছন্দ নয়’। আর যদি না বলে তাহলে ঝগড়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে হয়, কারণ তখন মেয়েটি বলে, ‘আমার বান্ধবীরা কি খারাপ?’।







আমাকে কি মোটা দেখাচ্ছে: যতোটা সম্ভব এই প্রশ্নের উত্তর দেয়া এড়িয়ে চলতে হয় ছেলেকে। কারণ হ্যাঁ বললে পস্তাবে ছেলেটি। আবার না বললে একগাদা কথা শুনতে হবে। আবার হেসে উড়িয়ে দেয়াটাও বিপদ, কারণ মেয়েটি তখন মুখ ভার করে বলবে ‘আমাকে তুমি দেখোই না’।

তুমি কি আগে আমাকে বেশি ভালোবাসতে নাকি এখন বাসো: মারাত্মক একটি প্রশ্ন। খুব বুদ্ধি খাটিয়ে এবং পারলে নিজেও একটু ঘুরিয়ে উল্টো প্রশ্ন করতে হয় ছেলেটিকে। নতুবা এই প্রশ্নের উত্তর ছেলেকে তার সম্পর্কের বর্তমান অবস্থার বারোটা বাজাবে।

তুমি কি কিছু ভুলে যাচ্ছো: আরেকটি ভয়াবহ প্রশ্ন। মেয়েটির সাথে দেখা হওয়ার পর থেকে আজ পর্যন্ত যা ঘটেছে সব কিছু খুঁটিয়ে মনে করার সময় চলে এসেছে। কারণ যদি আসলেই কিছু ভুলে গিয়ে থাকে ছেলেটি, তাহলে আর রক্ষা নেই।

আমাকে কি একটু অন্যরকম দেখাচ্ছে: এই প্রশ্নের উত্তর দেবার চেষ্টাই করাই উচিত নয় ছেলেদের। বরং হেসে ছেলেদের বলা উচিত ‘আমার কাছে তুমি সব সময়েই অন্যরকম অসাধারণ’।







কারণ যদি উত্তর ভুল হয় তাহলে ছেলের কপালে দুঃখ আছে, আর যদি উত্তর দিতে না পারে তবে শুনতে হবে ‘আমার দিকে আজ পর্যন্ত ভালো করে তাকিয়েছ কখনো?’।

আমি কি বলি তা কি তোমার মনেই থাকে না: যদি ছেলে বলে, মনে আছে তাহলে মেয়েটি গোঁ ধরে বসে যাবে কি কি মনে আছে তা শোনার জন্য। আর যদি বলে ‘মনে নেই’ তাহলে যুদ্ধ শুরু।







<>

Bangla24hour.com © 2017