[Close]

সাকা চৌধুরীর মুখ থেকে উচ্চারিত কিছু বিনোদনমূলক আলোচিত বানী!


সাকা চৌধুরীর মুখ থেকে উচ্চারিত কিছু বিনোদনমূলক আলোচিত বানী!













১ ) তিনি একবার সংসদে বলেনঃ মাননীয় স্পীকার দেশে আজব একখান মেশিন আইছে.!! তখন স্পীকার কৌতুহুলবশত জিজ্ঞাসা করলেন কি সেই আজব মেশিন.?
সাকা চৌধুরী বলেনঃ মাননীয় স্পিকার সেই মেশিনের নাম আওয়ামিলীগ যার একদিকে যুদ্ধাপরাধী ঢুকাইলে আরেকদিকে মুক্তিযোদ্ধা বাহির হইয়া অসে…
২ ) আমার নাম যদি সাকা চৌধুরী হয়, তাহলে আজ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম শেমু রহমান।
৩ ) গ্রেফতার আতঙ্কের মধ্যেও এতটা হাসি খুশি কিভাবে আছেন এক সাংবাদিকের এই প্রশ্নের জবাবে সাকা চৌধুরী বলেনঃ ধর্ষন যখন নিশ্চিত, তখন তা উপভোগ করাই শ্রেয়.
৪ ) চট্টগ্রামে এক সমাবেশে তৎকালীন আওয়ামী সরকারের সবকিছুতেই
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন খুজে পাওয়াকে কটাক্ষ করে সাকা বলেনঃ বঙ্গবন্ধু এত বেশি স্বপ্ন দেখতেন যে মনে হয় উনার স্বপ্নদোষ আছিল.!?
৫ ) প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেনঃ ছাত্রজীবনে শেখ মুজিব আমার বাবার শিষ্য ছিলেন..
৬ ) স্বর্ণ চোরাচালান মামলায় তাকে আসামী করার পর বলেনঃ হাসিনার যদি সোনার প্রতি এতই লোভ থাকে তাহলে ওয়াজেদ মিয়াকে তো বলতে পারে.!! এতো সোনা থাকতে আমার সোনা নিয়ে এতো টানাটানি কেন.?













৭ ) আমার নাম সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী থেকে যদি সাকা চৌধুরী হতে পারে তাহলে আমিও বলতে পারি Bangladesh Awami League থেকে
# BAL বাল..
৮ ) যুদ্ধপরাধীদের বিচার সম্পর্কে সাকা চৌধুরী বলেনঃ মাঠে যারা ফাউল করেছে তাদের বিচার হচ্ছে না অথচ গ্যালারিতে বসে যে হাততালি দিয়েছে তাদের বিচার নিয়ে বাড়াবাড়ি হচ্ছে..
৯ ) একবার আইন মন্ত্রী কে লক্ষ্য করে তিনি বলেনঃ নতুন নতুন অর্বাচিনরা আমাকে আদব শেখায়..
১০ ) সুশীল আবার কি.!?
সু – মানে সুন্দর আর শীল – মানে নাপিত, তাহলে সুশীল মানে সুন্দর নাপিত..
১১ ) হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বলেনঃ আংগুল দেখাবেন না, ওই আংগুলে আমার রিং পরানোর কথা ছিল।
১২ ) সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী নিয়ে সাকা চৌধুরী বলেনঃ পঞ্চম সংশোধনীর কথা আর বইলেন না, সোনা মিয়া হইছে লাল মিয়া আর লাল মিয়া হইছে সোনা মিয়া.!? মিয়াডা ঠিকই আছে, খালি সোনাডা লাল হয়ে গেছে..
১৩ ) সংসদে সাকা চৌধুরী এক পর্যায়ে বলেছিলেনঃ মাননীয় স্পিকার আমিতো চোদনা হয়ে গেলাম। স্পিকার এমন অশ্লিল কথা না বলার অনুরোধ করলে তিনি তার জবাবে বলেন আমি আবারও চোদনা হয়ে গেলাম.!













১৪ ) ঐ পারের ঐ রবীন্দ্রনাথের লেখা গান জাতীয় সংগীত কেন.? আমাদের দেশে কি জাতীয় সংগীত লিখার কেউ ছিল না.?
১৫ ) আওয়ামী লীগের একটি মহল প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তাকে উস্কে দিচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেনঃ ওই মহলটি জানে না যে তারা যে বিলের মাছ আমি সালাউদ্দিন ওই বিলের বক ৷
১৬ ) ওআইসি-এর মহাসচিব পদের জন্যে সাকা চৌধুরিকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়েছিল আর সেই সময় সাংবাদিকদেরকে কালা বিড়াল সুরঞ্জিত বাবু বলেছিলঃ সাকা চৌধুরিকে কেন ওআইসি -এর মহাসচিব.? উনি তো এর যোগ্য না।
দেশে ফিরে বিমানবন্দরে তার কথার জবাবে বাবু ওআইসি নিয়ে কথা বলার কে.? উনাকে ওআইসি নিয়ে কথা বলতে হলে, আমি ছোট বেলায় যে জিনিসটা কেটে ফেলে দিয়েছি, আগে ওই জিনিসটা কেটে ফেলতে হবে । তারপর বাবুকে ওআইসি নিয়ে কথা বলতে বলেন..













১৭ ) তত্ত্বাবধায়ক নিয়ে কিসের সংলাপ -এটা তো গর্ভবতী মহিলার মতোই সময় হলেই প্রসব করবে। তার জন্য আবার সংলাপ করতে হবে কেন তাও আবার দিনক্ষণ ঠিক করে। এটা এখন পুরান ইস্যু, নতুন ইস্যু হলো বর্তমান সরকার কবে প্রস্থান করবে, তা নিয়ে আলোচনা বা সংলাপ হতে পারে সরকার এবং বিরোধী দলের মধ্যে।
১৮ ) নারী নির্যাতন বিষয়ে আইন প্রতিমন্ত্রী টাকলু কামরুলের একটি বক্তব্যের জবাবে সাকা বলেনঃ কামরুইল্যা যে কেরানীগজ্ঞের একজন প্রমোদ বালক, এটা কি আমি কখনও বলেছি.?
১৯ ) রাষ্ট্র পরিচালনা ও মুদির দোকান চালানো এক নয়। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য গর্ভবতী মহিলার মতো চলাফেরা করতে হয় খুব সাবধানে। নতুবা একটু এদিক – ওদিক হলেই এক্সিডেন্ট..
২০ ) সাকা চৌধুরী আন্তর্জাতিক যুদ্বাপরাধ ট্রাইব্যুনালের রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবী প্রসিকিউটর জেয়াদ-আল-মালুম কে বলেনঃ মালুম না হালুম.!? নাম মালুম, কিন্তু পুরো বেমালুম হয়ে গেছেন.? পরে প্রসিকিউটর জেয়াদ-আল-মালুম অপমানিত হয়ে ট্রাইব্যুনালকে বলেন সাকা চৌধুরী আমাকে বারবার হালুম বলেন।













২১ ) সাকা চৌধুরী আদালতে বিভিন্ন সময় ট্রাইব্যুনালের সদস্যদের ‘মেম্বার সাহেব’ ও বিচারকদের ‘চেয়ারম্যান সাহেব’ বলে সংবোধন করতেন। এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি তো বর্তমান এমপি। কই তারা তো আমাকে এমপি সাহেব বলেন না? এমনকি বিচার কাজ শুরু হওয়ার আগে শপথ নিতে আপত্তি জানান তিনি। এ ব্যাপারে বলেন, এমপি হিসেবে একবার শপথ নিয়েছি। আর লাগবে না।
২২ ) মামলার রায়ের দিন তিনি বিচারকের উদ্দেশ্যে উচ্চস্বরে বলেন, রায় এসেছে বেলজিয়াম থেকে। দু’দিন আগ থেকেই পত্র-পত্রিকায় এবং অনলাইনে প্রকাশিত হয়েছে, এ রায় মন্ত্রণালয় থেকে এসেছে। এ রায় পড়ার দরকার কী.? পরে হাসতে হাসতে নিচু কণ্ঠে বলেন, যেটা পড়া হয়নি সেটা পড়েন, পড়ে… চলেন বাড়ি যাই
২৩) রায় পড়ার সময় বিচারপতি বলেন সাকা চৌধুরী ৫ বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, তখন বিচারপতি কে চিৎকার করে বলেন, ”ঐ পাঁচবার নয় ছয় বার”। লাখ লাখ মানুষ আমার পক্ষে রায় দিয়েছেন। আজ এখানে এই তিনজন আর কী রায় দেবেন!
২৪ ) বিচারপতি তার ফাঁসির রায় পড়ার সময় জোহরের নামাজের আজান দিলে বিচারকরা রায় পড়া বন্ধ করলে সাকা চৌধুরী বলেন ওঠেন.!? সংবিধান থেকে আল্লাহর ওপর আস্থা-বিশ্বাস বাদ দিয়ে এখন বসে বসে আজান শুনছেন.??













২৫ ) বিচারপতি রায়ের কপি পড়তে পড়তে তার অপরাধের বর্ণনার সময় সাকা চৌধুরী বলে ওঠেন, এসব পড়া ঠিক নয়। এ রায় পড়া কবিরা গুনাহ। এ সময় তিনি বিচারকদের উদ্দেশে চেঁচিয়ে বলেন, ফাঁসির আদেশ দিয়ে দাও। আমি তো একজন বড় গুনাহগার, আমি ফজলুল কাদের চৌধুরীর ছেলে।
২৬ ) ট্রাইব্যুনালে নিজেই নিজের সাফাই সাক্ষ্য দেন সাকা চৌধুরী। তখন আদালতে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, -আমার না হলে, ফাঁসি কারো হবে না। এর আগে ট্রাইব্যুনালের উদ্দেশে তিনি বলেন,কলকাতার জেলে পাঠাবেন না?!
২৭ ) শেখ হাসিনাকে নিজের ছেলের বিয়ের দাওয়াত দিতে গেলে হাসিনা গ্রেনেড মেরে তাকে হত্যা করতে যাওয়ার অপবাদ দেওয়ায় সাকা বলেন, ” আমি গ্রেনেড মারলে সেটাতো মিস হত না।
২৮) স্ক্যাইপি কেলিংকারীর পর বিচারকদের বললেন, সতিত্বের কোনো পার্সেন্টেজ নেই। বলা যায় না কারো এতো পার্সেন্ট সতিত্ব আছে, এতো পার্সেন্ট নেই। কিসের ক্যামেরা ট্রায়াল, যান বসে বসে স্কাইপি করেন”













২৯) দেড় বছরে আমার বিরুদ্ধে ৪১ জন সাক্ষী আনা হয়েছে। আর আমাকে একা সহ্য করতে পারছেন না। আপনারা আমার সমালোচনা করেন তাতে তো আমি আপত্তি করি না। কিন্তু এটা হচ্ছে হাঁসের গায়ে পানি ছিটানোর মতো। ঝাঁকি দিলে এ পানি পড়ে যাবে।
৩০ ) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান কে বলেন আপনার চুলতো সাদা হয়ে গেলেও মাথায় চুল আছে আর আমার মাথা থেকে চুল পড়ে গেছে। কিন্তু তারপরও আমি ভয় পাই না”
৩১ ) ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান উদ্দেশ্য করে আপনি না ডাকলে কীভাবে আসবো, আপনাকে দেখার জন্য তো আমার মন কাঁদে, আপনাকে দেখলেও আমার মন ভালো হয়ে যায়”
৩২ ) প্রসিকিশনের প্রশ্নের জবাবে,আই অ্যাম সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী অব বাংলাদেশ। যখন যা বলি, জেনে-বুঝে এবং অর্থপূর্ণতাসহ বলি।













৩৩ ) ট্রাইব্যুনাল নিয়ম অনুযায়ী সাকা চৌধুরীর বিরুদ্ধে আমলে নেয়া ২৩টি ঘটনায় ৭৩টি অভিযোগ পড়ে শোনানোর পর তার উদ্দেশ্যে জানতে চান, আপনি কি অভিযোগগুলো শুনেছেন? এ সময় তিনি বলেন, না আমি শুনিনি। তখন সাকা চৌধুরীর মুখে এ কথা শোনার পর আদালতের সবাই অবাক বনে যান..
৩৪ ) আমার কিছু আবেদন রয়েছে। সেগুলোর শুনানি আগে করতে হবে। আইন অনুসারে সেটা সম্ভব নয় বলে ট্রাইব্যুনাল জানালে তিনি বলেন, গাড়ি ছেড়ে যাওয়ার পর গাড়িতে চড়বেন, সেটা তো চলবে না। আগে আমার আবেদন শুনতে হবে।
৩৫ ) ট্রাইব্যুনাল জঙ্গলের শাসনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে – বিএনপি নেতা এমকে আনোয়ারের দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে শুনানির সময় সাকা চৌধুরী বলেন, তাকেও জেলে পাঠান আমি সঙ্গী পাবো। ওনি মহাঅপরাধ করে ফেলেছেন। জঙ্গলের বিচারকে জঙ্গলের আইন বলে।
৩৬ ) জেলে সেবকের সাথে যৌন সম্পর্কের মিথ্যা অপবাদ প্রসঙ্গে বলেন, “আগে জানতাম জেলে জানের নিরাপত্তা নেই, এখন দেখি ইজ্জতেরও নিরাপত্তা নেই।
৩৭ ) ট্রাইবুনাল কে সাকা চৌধুরী লক্ষ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে এই বাংলাদেশ পাওয়া.. এই কথা বলার জায়গা এটা (আদালত) না। লক্ষ শহীদেরা আমাদের এই (সংবিধান) দিয়েছে। এই সব কথা বলতে হবে বায়তুল মোকাররমের সামনে গিয়ে।













৩৮ ) সাক্ষীর কাঠগড়ায় আনার পর তিনি বলেন, আপনার যে তিনটি মাপকাঠি দিয়েছেন আমি তার মধ্যে থেকেই আমার বক্তব্য উপস’াপন করবো। কখনও এর বাইরে গেলে আপনারা আমাকে থামিয়ে দেবেন। এসময় ট্রাইব্যুনাল বলেন, আমরা আপনাকে থামাতে চাই না। আপনি একজন পার্লামেন্টেরিয
়ান। ৩৩ বছর ধরে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হচ্ছেন। সালাউদ্দিন কাদের বলেন, ৪২ বছর পর আমাকে কেন এখানে নিয়ে আসা হলো? তা তো আমাকে বলতে হবে।













৩৯ ) বিচার চলাকালীন আওয়ামী অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম কে উদ্দেশ্য করে রাগান্বিত হয়ে সাকা চৌধুরী বলেন, “খানকীর পোলা দুই বছর জেলে রাখছিস, বের হইয়া নেই, তোর —— (উচ্চারণ অযোগ্য) মধ্যে আঙ্গুল —— (উচ্চারণ অযোগ্য)।
৪০ ) রায় পড়ার সময় নূতন চন্দ্র সিংহকে বিশিষ্ট ব্যক্তি বলা হলে নিম্নস্বরে সাকা চৌধুরী ঠাট্টা করে বলেন, এ্যাঁহ… বিশিষ্ট ব্যক্তি.?.. (উচ্চারণ অযোগ্য), তিনি ওষুধ বেচতেন না, মদ বেচতেন। এক পর্যায়ে সাকা বিচারকদের উদ্দেশে আস্তে করে বলে ওঠেন, বন্ধুরা.. ঋতু পরিবর্তন হইতেছে। টের পাও না.!!!

Bangla24hour.com © 2017